সফটওয়্যার পার্কে সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হচ্ছে এ মাসেই!!

বাংলাদেশের প্রথম সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের শুভ সূচনা হতে যাচ্ছে চলতি মাসেই। এ জন্য বহুল কাঙ্ক্ষিত ঢাকার কারওয়ান বাজারে ১২ তলা বিশিষ্ট সফটওয়্যার টেকনোলোজি পার্ক (এসটিপি) জনতা টাওয়ারে স্পেস বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সরকার। সংশ্লিষ্ট আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মধ্যে আবেদন করতে বলেছে হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন আইটি, আইটিইএস ও বিপিও ফার্মগুলো কারওয়ান বাজারে অবস্থিত জনতা টাওয়ারে স্পেস প্রাপ্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। এ জন্য আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত ২২টি শর্ত পূরণ করে আবেদন করতে হবে। আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ৮ অক্টোবরের মধ্যে হাইটেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথোরিটি, বিসিসি ভবন, আগারগাঁও, ঢাকা বরাবর আবেদন করতে হবে। আরও বিস্তারিত জানতে হাইটেক পার্কের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি http://goo.gl/gqK1vy এই ঠিকানায়। জনতা টাওয়ার সম্পর্কে জানা যায়, আশির দশকের শেষের দিকে তত্কালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্ত্রী রওশন এরশাদের ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মেসার্স জনতা পাবলিশার্স কর্তৃক জনতা টাওয়ার নির্মাণ করা হয়। উত্তরা ব্যাংকের স্থানীয় শাখা থেকে মেসার্স জনতা পাবলিশার্স লিমিটেড তখন ৬ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে জনতা টাওয়ারের নির্মাণকাজ শুরু করে। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার আগেই ক্ষমতা হারান এরশাদ। তবে ভবনটির কাঠামো তৈরির কাজ শেষ হওয়ার পর আর কোনো কাজ করা হয়নি। এইচএম এরশাদ তার পাবলিকেশনের জন্য এ ভবনটির নির্মাণকাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু ক্ষমতা হারানোর সঙ্গে সঙ্গে তার সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। উল্টো অবৈধভাবে জায়গা দখল করে ভবন তৈরির দায়ে ১৯৯১ সালে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। এ মামলায় সাজাভোগের জন্য এরশাদ ২০০১ সালের নির্বাচনে অযোগ্য হয়ে যান। আদালতের রায়ে জনতা টাওয়ার বাজেয়াপ্তের ঘোষণা দেয়া হয়। এ ভবনের দেখাশোনার দায়িত্ব দেয়া হয় গণপূর্ত বিভাগকে। সেই থেকে জনতা টাওয়ারটি সরকারি সম্পত্তিতে পরিণত হয়। পরে ২০১০ সালের ৩ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্সের প্রথম সভায় কাওরানবাজারের জনতা টাওয়ারকে দেশের প্রথম সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক হিসেবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সে পরিপ্রেক্ষিতে এটি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়কে বরাদ্দ প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ডিজিটাল টাস্কফোর্সের নির্বাহী কমিটির সভায় বিষয়টি উত্থাপিত হয় এবং অবিলম্বে কার্যাদেশ প্রদান করে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের সমুদয় কার্যক্রম সম্পন্ন করে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। আবার গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হাইটেক পার্ক অথরিটির সভায় মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে কার্যাদেশ দেয়া এবং সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে এটিকে সম্পূর্ণরূপে চালু করার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের (ভেটিং) জন্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ওই সভায় সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক বরাদ্দের জন্য ৪ সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তৎকালীন আইসিটি মন্ত্রী আবুল হোসেন নির্মাণাধীন পার্কটি পরিদর্শন করেন এবং এর কার্যক্রম নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেন। আবার ২২ ফেবু্রয়ারি ২০১২ বেসিস সফটএক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী ৬ মাসের মধ্যে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক কার্যকর করার অঙ্গীকার বেশ জোরের সঙ্গেই ব্যক্ত করেন। এর আগে নিজস্ব সচিবালয়ের জন্য সরকারের কাছে জনতা টাওয়ার বরাদ্দ চেয়েছিল দেশের ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তারা আবেদনও করেছিল। তখন এফবিসিসিআই সভাপতি ছিলেন আনিসুল হক। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তার উপদেষ্টা এইচটি ইমামকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তবে ভবনটি এফবিসিসিআইকে দেয়ার তখন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এটিকে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক হিসেবেই গড়া হবে এই প্রতিশ্রুতি বারবার দেয়া হয়েছে সরকারের শীর্ষ মহল থেকে। সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক বাস্তবায়নের কাজ দেওয়া হয় টেকনোপার্ক নামে একটি বেসরকারি সংস্থাকে। তবে যথাযথভাবে ও নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন না করায় ২০১৩ সালে টেকনোপার্কের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ। এর বিরুদ্ধে টেকনোপার্কের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৩ সালের ২৭ মার্চ আদালত জনতা টাওয়ারে সফটওয়্যার পার্ক চালুর প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ দেন। এরপর ২০১৪ সালে জুনাইদ আহমেদ পলক তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর এ মামলার নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করেন। আদালত মামলাটি নিস্পত্তি করলে দেশের প্রথম সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের কাজ পুনরায় শুরু করার উদ্যোগ নিয়েছে হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ।

Power consuption calculation of a PC or Laptop

How much of your computer 's power consumption ? you can know……. Power consumption Desktop computers Relatively much lower than the laptop Most of the laptops need 15-45 watts of electricity consumption What is my computer’s power consumption How can I count?
Link at the bottom of your Power Supply to calculate. The type and size of your monitor According to the calculation of Walt then Add it up.
17-19 " CRT - 56-100 W
17-19 " LCD - 19-40 W
 0 - 4 " LCD - 1772 W


 Let's you 've got a 185 w In Power Supply and 60 W at the monitor. Now we get to add twice 120 60 = 180 watts. Now we divide 180 watts by 1000. And result will come up 0.18 Kilowatts.


The cost of the month = Watts x time x per kilowatt- hour rate X number of days in the month.